GuidePedia
আপনার প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন দিতে এখানে ক্লিক করুন অথবা মেইল করুন: chetonabarta@gmail.com

 


অনলাইন ডেস্ক:
অবসরে মুখশুদ্ধি হিসেবে মৌরি খেতে অনেকেই পছন্দ করেন। বিশেষ করে হোটেল বা রেস্টুরেন্টে আহারের পর মৌরি খেতে দেওয়া হয়। মৌরি দেখে অনেকেই জিরা ভেবে ভুল করেন।

শরীরের জন্য খুবই উপকারী এ ছোট্ট উপাদান। জানেন কি? প্রতি রাতে এক গ্লøাস পানিতে এক চামচ মৌরি ভিজিয়ে খেলেই দেখবেন ম্যাজিক। এক সপ্তাহের মধ্যেই আপনার শরীরের পরিবর্তন টের পাবেন। মৌরিতে থাকা পুষ্টিকর উপাদানগুলো আপনার শরীরের বিভিন্ন রোগ-ব্যাধি সারাতে পারে।

এজন্য এক চামচ কাঁচা মৌরি ভালো করে ধুয়ে এক গ্লাস পানিতে সারারাত রেখে দিন। পরের দিন সকালে উঠে পানি ছেঁকে নিয়ে খালি পেটে পান করুন। দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে, হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে এমনকি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও সারাতে পারে মৌরি। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক মৌরি শরীরের জন্য কতটা উপকারী-

যেকোনো সংক্রমণ থেকে শরীরকে রক্ষা করে মৌরি। এতে রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও অ্যান্টিভাইরাল উপাদানসমূহ। নিয়মিত মৌরি খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। মৌরিতে থাকা বিভিন্ন উপাদানসমূহ প্যাথজেনের (জীবাণু) আক্রমণ ঠেকায়।

হজমের সমস্যায় যারা ভুগছেন, তাদের জন্য মৌরি এক কার্যকরী দাওয়াই। নিয়মিত মৌরি ভেজানো পানি বা চা পান করলে এ সমস্যা দ্রুত সারবে। মৌরি ভেজানো পানি গ্যাস্ট্রো এনজাইম তৈরি করতে ও নিঃসরণে সাহায্য করে। ফলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কমতে শুরু করে।

মৌরিতে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। যা শরীরকে খারাপ ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস থেকে রক্ষা করে। মৌরিতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রক্তের মলিকিউলে পৌঁছে অক্সিডেটিভ ড্যামেজের সঙ্গে লড়াই করে।

খারাপ নিশ্বাসের সমস্যায় যারা ভোগেন তাদের জন্য মৌরি অত্যন্ত কার্যকরী। এটি মুখের দুর্গন্ধ দূর করে। অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদানসমূহ থাকায় মৌরি খেলে মুখের ভেতরের প্যাথজেন (জীবাণু) ধ্বংস হয়। যার ফলে দুর্গন্ধও দূর হয়।

মৌরিতে প্রচুর পটাশিয়াম রয়েছে, যা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

শরীরের টক্সিন বের করে দেয় মৌরি। রক্ত পরিষ্কারক হিসেবেও কাজ করে মৌরিতে থাকা উপাদানসমূহ। শরীরে তৈরি হওয়া টক্সিন (দূষিত পদার্থ) বের করতেও সাহায্য করে।

পিরিয়ডের সময় তলপেটে ও কোমরে অতিরিক্ত ব্যথা অনুভব করেন অনেক নারী। এ সমস্যা থেকে সাময়িক মুক্তি পেতে অনেকেই ব্যথানাশক ওষুধ খান। যদিও বেশি ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাই পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া ছাড়াই পিরিয়ডের ব্যথায় মুক্তি পেতে প্রথমদিন থেকেই মৌরি খেতে শুরু করুন।

অতিরিক্ত মেদ-ভুড়ি নিয়ে যারা চিন্তিত, তারা নিয়মিত মেথি খেতে পারেন। শরীরের মেটাবলিজম উন্নত করে মৌরি। কাজেই প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মৌরি ভেজানো পানি পান করলে কিছুদিনের মধ্যেই অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে ফেলা সম্ভব।

যারা মৌরি খাবেন না: গর্ভবতী নারী ও শিশুরা মৌরি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। গাজরে যাদের অ্যালার্জি রয়েছে, তারাও মৌরি খাবেন না। এ ছাড়াও যাদের রক্তে কোনো সমস্যা রয়েছে, তাদের মৌরি খাওয়া উচিত নয়।

Comments
0 Comments

Post a Comment

মন্তব্য করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
-সম্পাদক, চেতনাবার্তা।

 
Top